Rights, security, governance key for global development goals: Dr Debapriya

Good-Governance-needs-awareness,-capacity-and-commitment-01

Published in New Age on Sunday, 05 March 2017

Rights, security, governance key for global development goals: Dr Debapriya

Peace, security, human rights and good governance will be the key priority areas in achieving the new global development agenda, says leading economist Dr Debapriya Bhattacharya.

He said the government in the past has taken a number of policy and institutional initiatives to establish good governance in the social system but advantages of these initiatives are unfortunately yet to be reflected in people’s life.

‘This is why it is essential to increase citizen’s awareness, strengthen administrative capacities and make the political willingness visible,’ Dr Debapriya said while speaking at a discussion at the Training Centre of Madaripur Legal Aid Association, in Madaripur on Saturday.

The meeting on ‘The New Global Development Agenda: Peace and Security and Human Rights and Governance’ was jointly organised by the MLAA and TIB’s Sachetan Nagarik Committee, Madaripur, in partnership with the Citizen’s Platform for SDGs, Bangladesh.

Eminent economist and convenor of the platform Dr Debapriya, who is also the chairman of MLAA, made the keynote presentation at the meeting.

Other guest speakers included TIB executive director Dr Iftekharuzzaman and honorary executive director of BLAST Sara Hossain. The meeting was chaired by vice-president of MLAA former mayor Nurul Alam Babu Chowdhury, said a CPD press release.

Dr Debapriya, in his keynote, said that good governance and effective institutional structure can play important role in attaining inclusive growth.

He said peace and security are two other development criterions, as they see conflict-affected regions all over the world face severe constraints in their development path. The economist said human rights has even more critical role in development – protection of human rights is the fundamental element of sustainable development framework.

He reiterated that there is a significant deficit of required data that could ensure accountability in the process of establishing rule of law, peace and human. The government, as well as non-government organisations, needs to increase their spending in this area and be more innovative to attain more positive outcomes, he added.

Iftekharuzzaman said that aligning with the international commitments, the government has formulated some important legal, institutional and policy framework that would be helpful in establishing good governance and control corruption.

These include National Righteous Strategy and Right to Information Act which need ‘actual implementation’. Transparency and accountability of the political parties are essential elements of the democratic system that impact other institutions of democracy, he added.

‘Attaining the mandate of ‘no one will be left behind’ will be impossible if the fundamental rights of citizens, freedom of speech in particular, is denied,’ said Dr Zaman.

Sara Hossain emphasised on rule of law, ensuring accountability of the security forces and child protection to attain the SDG 16 of the new global agenda.

She said Child Marriage Restraint Act 2017 will be an important step in this regard. ‘However, concerns remain as regards its special provision, which has been voiced by almost all women’s and children rights forums. She also criticised some aspects of the proposed ‘Citizenship Act.’

The MLAA secretary Fazlul Huq said that the rewards of development will remain aloof if we cannot reduce the level of corruption. He called on everyone to take step against corruption from their respective positions.

 


Published in প্রথম আলো on Sunday, 05 March 2017

সুশাসনের জন্য প্রয়োজন সক্ষমতা ও সদিচ্ছা

নতুন বৈশ্বিক উন্নয়ন অ্যাজেন্ডার আলোকে শান্তি, নিরাপত্তা, মানবাধিকার ও সুশাসন অগ্রাধিকার পেতে হবে। বাংলাদেশ সরকার বিগত সময়ে সুশাসনের বেশ কিছু নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু এসবের বাস্তবায়ন এখনো মানুষের জীবনকে স্পর্শ করেনি। তাই প্রয়োজন নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রশাসনিক সক্ষমতা জোরদার ও রাজনৈতিক সদিচ্ছাকে দৃশ্যমান করা।

মাদারীপুরে গতকাল শনিবার ‘নতুন বৈশ্বিক উন্নয়ন: শান্তি ও নিরাপত্তা, মানবাধিকার ও সুশাসন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপনকালে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এ কথা বলেন। মাদারীপুর লিগ্যাল এইড অ্যাসোসিয়েশন ও টিআইবির সচেতন নাগরিক কমিটি মাদারীপুর সভাটির আয়োজন করে।

এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়। মাদারীপুর লিগ্যাল এইড অ্যাসোসিয়েশনের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ সভায় অতিথি বক্তা ছিলেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান ও বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) সাম্মানিক নির্বাহী পরিচালক সারা হোসেন। এতে মাদারীপুর লিগ্যাল এইড অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক ফজলুল হক ও সহসভাপতি নুরুল আলম বাবু চৌধুরী, স্থানীয় পৌর মেয়র খালিদ হোসেন ইয়াদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সুশাসন ও কার্যকরী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একইভাবে শান্তি আর নিরাপত্তাও উন্নয়নের অন্যতম নিয়ামক হয়ে উঠছে। পৃথিবীর যেসব দেশে শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে, সেখানেই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

দেবপ্রিয় বলেন, মানবাধিকারের সঙ্গে উন্নয়নের সম্পর্ক আরও বেশি স্পষ্ট। মানবাধিকার সুরক্ষাকারী ভিত্তি ছাড়া কোনো উন্নয়নকাঠামোই যেমন টেকসই হতে পারে না, তেমনি জনগণের জীবনযাপনের ক্ষেত্রেও উন্নয়ন প্রকৃত ইতিবাচক প্রভাব রাখতে পারে না।

এই অর্থনীতিবিদ আরও বলেন, আইনের শাসন, শান্তি ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্তের বড় ঘাটতি রয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে সরকার ও বেসরকারি সংগঠনগুলোকে বিনিয়োগ করতে হবে, সৃষ্টিশীল হতে হবে।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের পাশাপাশি জাতীয়ভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে আইনি, প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে, যার মধ্যে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ও তথ্য অধিকার আইন অন্যতম। এসবের কার্যকর প্রয়োগ অপরিহার্য।

সারা হোসেন বলেন, এসডিজির ১৬ নম্বর অভীষ্ট অর্জনে আমাদের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জবাবদিহি বাড়ানো দরকার।

ফজলুল হক বলেন, ‘দুর্নীতি না কমানো গেলে উন্নয়নের ফসল আমরা ভোগ করতে পারব না।’

 


Published in বণিকবার্তা on Sunday, 05 March 2017

আলোচনা সভায় বক্তারা সুশাসনের জন্য প্রয়োজন সচেতনতা সক্ষমতা ও সদিচ্ছা

নতুন বৈশ্বিক উন্নয়ন এজেন্ডার আলোকে শান্তি, নিরাপত্তা, মানবাধিকার ও সুশাসনের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। যদিও বাংলাদেশ সরকার বিগত সময়ে সুশাসনের জন্য বেশকিছু নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কিন্তু এসবের বাস্তবায়ন এখনো মানুষের জীবনকে স্পর্শ করেনি। তাই প্রয়োজন নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রশাসনিক সক্ষমতা দৃঢ় করা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছাকে দৃশ্যমান করা।

গতকাল সকালে মাদারীপুরের লিগ্যাল এইড অ্যাসোসিয়েশনের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ‘এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম, বাংলাদেশের সহযোগিতায় নতুন বৈশ্বিক উন্নয়ন: শান্তি ও নিরাপত্তা, মানবাধিকার ও সুশাসন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানিত ফেলো ও এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম, বাংলাদেশের আহ্বায়ক বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। আলোচনা সভার আয়োজন করেছে মাদারীপুর লিগ্যাল এইড অ্যাসোসিয়েশন ও টিআইবির সচেতন নাগরিক কমিটি, মাদারীপুর।

অনুষ্ঠানে অতিথি বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান ও বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) অনারারি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ব্যারিস্টার সারা হোসেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাদারীপুর লিগ্যাল এইড অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি সাবেক মেয়র নুরুল আলম বাবু চৌধুরী।

Leave a Reply